লালগোলায় আসা মানে শুধু মন্দির দর্শন নয়। এখানে একসঙ্গে মেলে রাজঐতিহ্য, প্রাচীন দেবালয়, শিক্ষার ইতিহাস, পদ্মার উদার প্রকৃতি আর গ্রামবাংলার প্রাণ। মা রাজরাজেশ্বরীকে কেন্দ্র করে গোটা জনপদটাই যেন এক ঐতিহ্য-পরিক্রমা।
কী দেখবেন
রাজবাড়ি মন্দির কমপ্লেক্স
রাজবাড়ি ঘিরে কালী, রঘুনাথ জিউ, বিষ্ণু, শিব ও হনুমানের মন্দির, মুক্ত সংশোধনাগার আর রাজ অতিথিশালা।
লালগোলা টেম্পল সার্কিট
লালগোলা ব্লক জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ত্রিশটিরও বেশি প্রাচীন মন্দিরের পরিক্রমা।
লালগোলা পর্যটন
পদ্মার তীর, দিঘি, আমবাগান আর লালগোলার ঐতিহাসিক সৌন্দর্য।
খাওয়া দাওয়া ফুর্তি
মায়ের দর্শনের পর আরতি, পদ্মার সূর্যাস্ত, আমবাগান—আর পদ্মার ইলিশ, মুর্শিদাবাদের আম ও ছানাবড়ার স্বাদ।
কীভাবে পৌঁছবেন
ট্রেনে: লালগোলা রানাঘাট–লালগোলা রেলপথের শেষ স্টেশন। শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট হয়ে সরাসরি ট্রেনে লালগোলা আসা যায়।
সড়কপথে: জেলা সদর বহরমপুর থেকে বাস বা গাড়িতে লালগোলা পৌঁছনো যায়।
স্টেশন থেকে মন্দির: স্থানীয় টোটো বা রিকশায় রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে পৌঁছনো যায়।
থাকা ও খাওয়া
লালগোলা ও আশপাশে থাকার জায়গা, খাবারের দোকান ও স্থানীয় যাতায়াতের যাচাইকৃত তথ্য শীঘ্রই যুক্ত করা হবে।
দর্শনার্থীদের জন্য জরুরি কথা
রাজবাড়ি প্রাঙ্গণের কিছু অংশ সংশোধনাগারের ব্যবহারে রয়েছে। সেখানে প্রবেশ, ছবি তোলা ও চলাফেরার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলুন। নির্দিষ্ট স্থানের খোলার সময় ও অনুমতি সম্পর্কে আগে থেকে খোঁজ নিন।
